০৯ অক্টোবর ২০২৬ , ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতির পালাবদল হয়, কিশোর গ্যাংয়ের ‘বড় ভাই’ বদলায় না

অনলাইন প্রতিবেদক
আপলোড সময় : ০৯-১০-২০২৬
রাজনীতির পালাবদল হয়, কিশোর গ্যাংয়ের ‘বড় ভাই’ বদলায় না
রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে, বদলেছে স্থানীয় প্রভাবের সমীকরণ। তবে রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে থাকা ‘বড় ভাই’ সংস্কৃতির খুব একটা পরিবর্তন আসেনি।
আগে যারা রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে কিশোরদের সংগঠিত করতেন, তাদের কেউ কেউ এখনো এলাকায় প্রভাব ধরে রেখেছেন। আবার কোথাও নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাবশালী ব্যক্তি বা স্থানীয় আধিপত্যশীলদের ছত্রছায়ায় সক্রিয় রয়েছে গ্যাং।
পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর ৫০ থানা এলাকায় বর্তমানে ১৫৮টি কিশোর গ্যাং সক্রিয়। এসব গ্যাংয়ের পেছনে শতাধিক পৃষ্ঠপোষকের নাম এসেছে।
তাদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, সাবেক জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় প্রভাবশালী, হাউজিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা স্থানীয় প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে এসব ‘বড় ভাই’ কিশোরদের নিজেদের বলয়ে টেনে নেন।
পরে আধিপত্য বিস্তার, দখল, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক কারবার কিংবা সংঘাতের মতো অপরাধে তাদের ব্যবহার করা হয়। কোনো সদস্য গ্রেপ্তার হলে তাকে জামিন করানো থেকে শুরু করে আইনি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রেও পৃষ্ঠপোষকদের ভূমিকার অভিযোগ রয়েছে।
পাল্টেছে পরিচয়, টেকেনি প্রভাবের বলয়
সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে অনেক এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষকদের পরিচয় বদলালেও গ্যাং ব্যবহারের প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কোথাও পুরোনো প্রভাবশালীরা আড়ালে থেকে গ্যাং পরিচালনায় ভূমিকা রাখছেন, আবার কোথাও নতুন প্রভাবশালীরা কিশোরদের নিজেদের বলয়ে নিচ্ছেন।
রাজধানীর মিরপুর, পল্লবী, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, গেন্ডারিয়া, রামপুরা, হাজারীবাগ, লালবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিদের নাম উঠে এসেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, মিরপুরের পিয়াস গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ কিবরিয়া ওরফে পিয়াস ও মো. আমিরুল ইসলাম। কাফরুলের ভাই ব্রাদার গ্রুপের হোতা মানিক হাসান রকি। পটেটো রুবেল গ্রুপের হোতা আওয়ামী লীগের দারুস সালাম থানার সাংগঠনিক সম্পাদক সাজেদুর রহমান রাসেল এবং অতুল গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক আওয়ামী লীগের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সহসভাপতি সাইদুর রহমান বাপ্পী ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাহেরের ভাই মো. রায়হান।
এ ছাড়া হাকিম গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক উজ্জ্বল, পল্লবীর আশিক গ্রুপের হোতা বিদেশে পলাতক মফিজুর রহমান মামুন ও রাজু গ্রুপের হোতা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পল্লবী থানার সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন ঢালি। রকি গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ৯১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মী ফারুক হোসেন ও পিন্টু-কাল্লু গ্রুপের হোতা মহানগরী উত্তর যুবলীগের সদস্য সুলতান। রোমান্টিক গ্রুপের হোতা বিহারি ক্যাম্পের জালাল উদ্দিন বন্টু ও ভাই ভাই গ্রুপের হোতা আওয়ামী লীগের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি খলিলুর রহমান।
এ ছাড়া মুরাদ গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক কাজী জহিরুল ইসলাম, আরমার গ্রুপের যুবলীগ কর্মী সাইফুল ও সোহেল গ্রুপের হোতা ছাত্রলীগের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাইম।
এদিকে শাহ আলীর মামুন গ্রুপের হোতা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেন সেন্টু, রুবেল গ্রুপের হোতা যুবলীগের সোহেল রানা ও রূপনগর আবাসিক এলাকার লিমন। কাইল্লা সাগর গ্রুপের হোতা পল্লবী থানা যুবদলের ৬ নম্বর ইউনিটের সভাপতি কাউসার মোল্লা ও মোহাম্মদপুরের পাটালী গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম অপু এবং ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওসমান রেজা।
এ ছাড়া ঠেলা গ্রুপ ও লেভেল হাই গ্রুপের হোতা শীর্ষ সন্ত্রাসী বিদেশে পলাতক কিলার বাদল। আনোয়ার গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক এক্সেল বাবু, টক্কর গ্রুপ ও ফরহাদ গ্রুপের হোতা বিএনপি নেতা মান্নান শাহীন। আর্মি আলমগীর ও নবী গ্রুপের হোতা শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. নবী, ডাইল্লা গ্রুপের মো. শাকিল, এলেক্স গ্রুপের পাপ্পু ও আকবর গ্রুপের মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের সভাপতি আলী কাওছার মিন্টু।
এ ছাড়া গাংচিল গ্রুপের হোতা লম্বু মোশারফ, আশরাফ গ্রুপের গ্যারেজ সোহেল ও স্টার বন্ড গ্রুপের হোতা মো. খোকন। ভাইব্বা ল কিং গ্রুপের হোতা মো. কবির, চেতাইলেই ভেজাল গ্রুপের হোতা স্বেচ্ছাসেবক দলের মোহাম্মদপুর শাখার আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ বাবু এবং ঘুটা দে গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক নবোদয় হাউজিংয়ের মো. কবির।
এদিকে শেরেবাংলানগরের জাকির গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক মহানগরী উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. আসাদুজ্জামান এবং হাতিরঝিলের বাঁধন ও পলক গ্রুপের হোতা আওয়ামী লীগের ২২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি গোলাম রসূলের ছেলে শেখ ওমর ওরফে পলক।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের সিয়াম-সিরাজ গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক বাদল ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল-আমিন, রতন গ্রুপের মোহাম্মদ মানিক মিয়া ও মোহাম্মদ মোশারফ। তুরাগের পাভেজ গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক যুবলীগ কর্মী ইমরান হোসেন ও উত্তরখানের নাইন এমএম বিগ বস গ্রুপের মহিন।
এ ছাড়া শাকিল গ্রুপের আসলাম জনি ও রুস্তম গ্রুপের হোতা আওয়ামী লীগের উত্তরখান থানার সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন। দক্ষিণখানের বিগবস গ্রুপের হোতা আক্তারুজ্জামান ওরফে ছোটন ও ইয়ং স্টার গ্রুপের হাসিবুল হাসান শান্ত।
এ ছাড়া ব্লাড বয়েজ গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ছাত্রলীগের উত্তরা পূর্ব থানা সভাপতি নুরুল আফসার ও শাওন গ্রুপের মো. শাওন ওরফে রাশেদুল ইসলাম। নাইন স্টার গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ছাত্রলীগের উত্তরা পশ্চিম থানার সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক জুয়েল ও ভাটারার রবিন গ্রুপের হোতা সাবেক কাউন্সিলার মো. শফিকুল ইসলাম বাছেদ।
এ ছাড়া বনানীর বাউন্ডারি বস্তি কিশোর গ্যাং গ্রুপ ও পোড়া বস্তি গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষক ছাত্রলীগের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি তুহিন। এদিকে কদমতলীর শুক্কুর গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ছাত্রলীগের সাবেক নেতা নীরব ও আওয়ামী লীগের আজিজ মিয়া।
লিটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক শ্রমিক লীগের সাইফুল ইসলাম বাবু, যাত্রাবাড়ীর ফাহিম গ্রুপের মো. মুশফিকুর রহমান, ডেমরার তুহিন গ্যাং গ্রুপের বাঁশেরপুলের ইসমাইল ভূইয়া তুহিন ও শিমু বাহিনীর হোতা মাতুয়াইল ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি জিকু বক্স।
এ ছাড়া গেন্ডারিয়ার তাহমিদ গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক আওয়ামী লীগের ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম ও খিলগাঁওয়ের মাফিয়া আলিফ গ্রুপের মো. জিয়া ও এম জামান।
এদিকে রামপুরার আকিল গ্রুপের হোতা যুবলীগের মনির চৌধুরী, শাহজাহানপুরের আরিফ গ্রুপের মিতু ও জাহিদ। হাজারীবাগের পারভেজ ও সাব্বির গ্রুপের হোতা মো. মিঠু এবং আসিফ গ্রুপের মো. মহিদুল খান।
এ ছাড়া পারফেক্ট গ্যাং স্টার গ্রুপের ফুরাদ হোসেন ও জীবন গ্রুপের হোতা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন। লালবাগের রবিন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ছাত্রলীগের থানা সভাপতি মো. সুমন এবং চকাবাজারের পাত্তি গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন ২৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. বিপ্লব।
কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা ধরা পড়ে, ‘বড় ভাই’ আড়ালে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে গ্যাংয়ের সদস্যরা গ্রেপ্তার হলেও পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অনেক কিশোরকে মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে। কিন্তু তাদের পেছনে থাকা প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না হলে একই কিশোর কিংবা নতুন সদস্যকে দিয়ে গ্যাং আবার সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন গ্যাংয়ে জড়িত ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সি কিশোরদের আটক করে মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় দিতে বলা হয়েছে। তবে একই অপরাধে দ্বিতীয়বার ছাড় না দেওয়ার বিষয়ে অভিভাবকদের সতর্ক করতে বলা হয়েছে।
রাজনৈতিক আধিপত্যের হাতিয়ার কিশোররা
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, কিশোর গ্যাংয়ের ব্যবহার এখন শুধু অপরাধ সংঘটনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। স্থানীয় আধিপত্য, দখলবাজি ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রেও কিশোরদের ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কিশোরদের বয়স কম হওয়ায় তাদের সামনে রেখে মূল পরিকল্পনাকারীরা আড়ালে থাকার সুযোগ পান। ফলে কোনো ঘটনায় কিশোর সদস্য গ্রেপ্তার হলেও নেপথ্যে থাকা ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে গ্যাংয়ের কাঠামো ভেঙে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
তালিকা ধরে অভিযানের নির্দেশ
সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততার পর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে আপডেট তালিকা করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা এবং মোহাম্মদপুরে দখলবাজিকে কেন্দ্র করে সংঘাতের পর এ বিষয়ে নতুন করে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, সারা দেশে কিশোর গ্যাং ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মহানগর ও জেলায় সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ধারী পৃষ্ঠপোষকদের তালিকা ধরে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অপরাধ করলে কিশোর না প্রাপ্তবয়স্ক তা বিবেচনা করা হচ্ছে না। অপরাধ করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বাংলানিউজকে বলেন, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রভাব সমাজেও পড়ছে। দেশের কিশোরদের একটি অংশ ক্রমেই অপরাধ ও সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। মাদক সেবন ও কারবার, চুরি, ছিনতাই থেকে শুরু করে হত্যার মতো গুরুতর অপরাধেও তাদের সম্পৃক্ততা দেখা যাচ্ছে। পারিবারিক দিকনির্দেশনা, নজরদারি ও সহায়তার অভাবে অনেক কিশোর অপরাধের চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। তাদের অসহায়ত্ব ও সামাজিক অনগ্রসরতাকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণীর স্বার্থান্বেষী ও অপরাধী ব্যক্তি কিশোরদের সংগঠিত করে গ্যাং গড়ে তুলছে এবং বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহার করছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু কিশোরদের গ্রেপ্তার বা আইনের আওতায় আনার মধ্যে সমাধান সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। যারা তাদের ব্যবহার করে গ্যাং গড়ে তুলছে ও অপরাধে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে, তাদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধে জড়িয়ে পড়া কিশোরদের বয়স ও পরিস্থিতি বিবেচনায় কাউন্সেলিং, শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পরিবারভিত্তিক তদারকি ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগের সমন্বয় ঘটাতে পারলেই তাদের অপরাধের পথ থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। (সূত্র: বাংলানিউজ২৪)



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ